নরসিংদী: জেলায় কুকুরের গলায় ইট বেঁধে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীসহ আরও ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল নজরপুর এলাকা থেকে শাহিনারা বেগম (৫২) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাতে পৌর শহরের নাগরিয়াকান্দি এলাকা থেকে রমজান আলী (২২) নামে আরও এক যুবককে আটক করা হয়।
গ্রেফতার শাহিনারা বেগম নরসিংদী পৌর এলাকার কামারগাঁওয়ের আব্দুল আজিজের স্ত্রী এবং রমজান আলী নাগরিয়াকান্দি এলাকার হারুন অর-রশিদের ছেলে।
নরসিংদী সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এআরএম আল-মামুন জানান, কুকুরটির গলায় দড়ি বেঁধে ইট ঝুলিয়ে নদীতে ফেলে নির্মমভাবে হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর জেলা পুলিশ ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে মোহাম্মদ আলীকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় ভিডিওতে দেখা যাওয়া নারী শাহিনারা বেগমকে নজরপুরে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাতে রমজান আলীকেও নাগরিয়াকান্দি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলী, শাহিনারা বেগম ও রমজান আলীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে বুধবার (২৪ জুন) সকালে নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দি ব্রিজের ওপর থেকে একটি কুকুরের গলায় দড়ি বেঁধে ইট ঝুলিয়ে মেঘনা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।