ঢাকা: রাজধানীর বিজয় স্মরণি কলমিলতা মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সরকার, রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি দাতা সংস্থাসহ সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণি মোড় সংলগ্ন কলমিলতা কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, হাতিরঝিল অঞ্চল পরিচালক হেমায়েত হোসেন, অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, তেজগাঁও থানার আমীর ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদী ও সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেলসহ অনেকেই।
সাইফুল আলম খান বলেন, ‘প্রতি বছরই রাজধানীসহ সারাদেশে বহু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনার পর সরকার বা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বেশ তৎপর মনে হলেও এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না। আমাদের দেশে অগ্নিনির্বাপনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও নেই। সেকেলে ও প্রচলিত পদ্ধতিতে অগ্নিনির্বাপনের কাজ হওয়ায় প্রতি বছরই জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।’
তিনি ঘটনা তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘সরকার জনগণের জানমাল নিয়ে এভাবে নির্লিপ্ত থাকতে পারে না।’ তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান এবং অগ্নিদুর্গতদের জামায়াতের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৫টায় ঘটনাস্থলে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বেলা ১০টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে কাঁচাবাজার, গোস্তের দোকান, মাছ বাজার ও দর্জির দোকানসহ সবকিছু ভস্মীভূত হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ী হয়ে পড়েছেন সর্বশান্ত।
জামায়াত নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন ও পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট