নীলফামারী: নীলফামারীর ডোমারে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে এক সাংবাদিক ও শিক্ষা অফিসের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক পরিবারের সদস্যরা।
রোববার (৮ মার্চ) বেলা ১২টায় ডোমার প্রেস ক্লাবের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পৌরসভার মাদ্রাসাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. শাহীনুর আহম্মেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
লিখিত বক্তব্যে শাহিনুর আহম্মেদ অভিযোগ করেন, ডোমার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তাদের কেনা জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছেন। তার দাবি, তার বাবা এই জমি কিনেছিলেন প্রতিবেশী শ্রী মনীন্দ্রনাথ রায়ের কাছ থেকে এবং দীর্ঘদিন ধরেই এ জমি তাদের ভোগদখলে ছিল। কিন্তু তার বাবার মৃত্যুর পর জমির একটি অংশ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে মনীন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে শ্রী সুব্রত দেব রায় মামলা করেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে চার লাখ টাকা পরিশোধের পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের নামে দানপত্রে স্বাক্ষর করা হয়। তবে অভিযোগের কারণে দলিলটি নিবন্ধন হয়নি বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, পরবর্তীতে ওই জমি অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার সাফিউল ইসলাম মোটা অঙ্কের টাকায় কিনে নেন এবং এরপর থেকে তাদের নানা ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ‘দৈনিক দেশ বুলেটিন’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি আবরার হোসেন আলভী তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি, সংবাদ প্রকাশের আগে ওই সাংবাদিক তাদের কাছে টাকা দাবি করেছিলেন; টাকা না দেওয়ায় সংবাদটি প্রকাশ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক আবরার হোসেন আলভী বলেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি।
অন্যদিকে অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলাম বলেন, তার জমি শাহীনুর জোরপূর্বক দখল করেছেন। তিনি যাতে জমি পুনরুদ্ধার করতে না পারেন, সেজন্য তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।