ঢাকা: জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিবাদের জের ধরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন, নর্থ) মো. মাহিদুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এটা হচ্ছে একটা হাউজিং বিজনেস। এখানে জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে। এ বিষয়ে যেহেতু আরও ইনভেস্টিগেশনের জায়গা আছে, আইনি প্রক্রিয়া চলছে; আমরা আন্ডার ইনভেস্টিগেশন করছি। ইনভেস্টিগেশনটা শেষ হলেই আমরা জানতে পারব যে অ্যাকচুয়াল মোটিভটা কী।’
সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা দাবি প্রসঙ্গে মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে এই মুহূর্তে নেই। আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, জমিকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দুই গ্রুপের মধ্যে হয়তো এটা হতে পারে। আমরা প্রপার ইনভেস্টিগেশন করলেই জানতে পারব। ইনভেস্টিগেশন একটা চলমান প্রক্রিয়া। আমরা খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই আপনাদের প্রকৃত ঘটনা জানাতে পারব এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পারব।’
গ্রেফতারকৃতদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা—এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিষয়টা আন্ডার ইনভেস্টিগেশনে আছে। এখানে দলবদ্ধভাবে লোকজন এসেছে, আমরা তিনজনকে গ্রেফতার করেছি। তিনজনের একজনের নাম হচ্ছে মামুন (৩৫), তার বাড়ি গফরগাঁও, সে ভাষানটেক বস্তিতে থাকে। আর একজনের নাম হচ্ছে আসলাম, তার বাড়ি হচ্ছে টাঙ্গাইল, সে থাকে মজুমদার মোড়ে, অটোরিকশা চালায়। আরেকজনকে আমরা গ্রেফতার করেছি, তার নাম হচ্ছে মুন্না (২৯), তার বাড়ি বরগুনা পাথরঘাটায় এবং সেও ভাষানটেক বস্তিতে থাকে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’
এ ছাড়াও এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখানকার যে ঘটনা, আমি এই ঘটনাটা আমাদের পুরো টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি, তদারকি করেছি। যেকোনো ক্রাইমের ঘটনা ঘটলেই সেটা ইমিডিয়েটলি আমরা ডিটেকশন করেছি, প্রেস ব্রিফিংও করেছি। আমরা আশা করি যে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া এবং জনগণের দায়িত্বশীল নাগরিক যদি ভূমিকা পালন করে এবং আমাদের সহযোগিতায় আসে, তাহলে যেকোনো ঘটনা ঘটলেই সেটাকে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব এবং ক্রিমিনালদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।’