ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রজতজয়ন্তী উদযাপন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দিনব্যাপী এটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে এক আনন্দ র্যালি বের করে বিভাগটি। পরে র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এসে মিলিত হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ সময় বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রজতজয়ন্তী উদযাপন ও পুনর্মিলনী কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসাইনসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে আইসিটি বিভাগ সর্বপ্রথম ইবিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে। সব শিক্ষার্থীকে এক করে সবার মধ্যকার সম্পর্ক বৃদ্ধি ও জ্ঞান বিনিময়ের জন্যই আমাদের এ পুনর্মিলন আয়োজন।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যেমন পৃথিবীকে বদলে দিয়েছে, তেমনি এই বিভাগের শিক্ষার্থীরাই সেই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান অনুঘটক। আইসিটি বিভাগ এরই মধ্যেই সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এ বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।’
পুনর্মিলনী সম্পর্কে বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘দীর্ঘদিন আগে আমরা ক্যাম্পাস ছেড়েছি। আমরা যখন ভর্তি হয়েছিলাম তখন আমাদের কোনো নিজস্ব রুম ছিলো না, ল্যাব ছিলো না, শিক্ষক সংকট ছিল। অনেক কষ্ট করে আমাদের অ্যাকাডেমিক কাজ চালানো হতো। এখন এসে আমরা দেখছি আমাদের নিজস্ব ভবন হয়েছে, ল্যাব হয়েছে, শিক্ষক সংখ্যা বেড়েছে। এসব দেখে আমরা আমরা আবেগ আপ্লুত হয়ে যাচ্ছি। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হচ্ছে, আমরা সব বন্ধুবান্ধব এক হতে পেরেছি। সবাই মিলে এ দুটো দিন উদযাপন করছি, ঘুরাঘুরি করছি, আড্ডা দিচ্ছি। এমন আয়োজন বারবার হোক সেই প্রত্যাশা রাখছি।’