ঢাকা: বিমা খাতে ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা ও ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে নতুন পুরস্কার ‘আইডিআরএ ইনস্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আইডিআরএর ১৯২তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার বিমা খাতের ১৩ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।
আইডিআরএ সম্প্রতি এ সিদ্ধান্তের কথা বিজ্ঞপ্তি আকারে বিমা খাতের সব কোম্পানিকে জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমা খাতে ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা, জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভালো কোম্পানিগুলোর কাজের মূল্যায়নের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জীবনবিমা ও সাধারণ বিমা (নন-লাইফ) শ্রেণিতে ২০২৫ সালের জন্য প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানকারী শীর্ষ ১৩ প্রতিষ্ঠানের নাম এরই মধ্যে নির্বাচিত করেছে আইডিআরএ। তার আগে সংস্থাটি এ খাতের কোম্পানিগুলোর সার্বিক সুশাসন পর্যালোচনা করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তরের কার্যক্রম শিগগির সবাইকে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
দেশে জীবনবিমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩৬টি। এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মেটলাইফ। এ ছাড়া, দ্বিতীয় হয়েছে প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স, তৃতীয় ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্স, চতুর্থ জীবন বীমা করপোরেশন এবং পঞ্চম স্থান অর্জনকারী যৌথভাবে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স ও গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড।
এছাড়া, সাধারণ বিমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪৬টি। এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে প্রগতি ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। দ্বিতীয় হয়েছে সাধারণ বীমা করপোরেশন, তৃতীয় হয়েছে রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স, চতুর্থ হয়েছে গ্রিন ডেলটা ইনস্যুরেন্স এবং পঞ্চম হয়েছে যৌথভাবে ইস্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স, সেনা ইনস্যুরেন্স এবং ইউনাইটেড ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) গত ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বার্ষিক সভায় উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে জীবনবিমা কোম্পানির মধ্যে ৩ হাজার ৩১০ কোটি টাকা প্রিমিয়াম আয়ের মাধ্যমে সবার শীর্ষে ছিল মেটলাইফ। এদিকে ৫১২ কোটি টাকা প্রিমিয়াম আয়ের মাধ্যমে সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে শীর্ষে ছিল রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স।
নন-লাইফ বিমা খাতে প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রগতি ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান সৈয়দ এম আলতাফ হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, ‘তথ্যটি জেনে ভালো লাগছে। প্রগতি ইনস্যুরেন্সের এ পুরস্কার পাওয়ার মাধ্যমে আমাদের এটা মনে হচ্ছে যে সুশাসন বজায় রেখে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করলে তার স্বীকৃতি মিলবেই।’