ঢাকা: জাহাজ, হিমায়িত চিংড়ি এবং মাছজাত পণ্য রফতানির বিপরীতে আমদানিকারকদের দাবি করা ছাড় (ডিসকাউন্ট) অনুমোদনের বিষয়ে আবেদন বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে রফতনিকারকরা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ছাড় দাবির আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ থেকে এক সার্কুলারে এ তথ্য জানান হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখের এফই সার্কুলার নম্বর–৩১ এবং ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের এফই সার্কুলার নম্বর–৪৯–এর অনুচ্ছেদ ১৯(৪) অনুসারে এতদিন অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য এবং পাটজাত পণ্যের চালানের ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের দাবি করা ছাড়ের জন্য আবেদন জমা দিতে পারত।
সর্বশেষ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে জাহাজ, হিমায়িত চিংড়ি ও মাছজাত পণ্য রফতনির বিপরীতে ছাড় দাবির আবেদনও ডিসকাউন্ট কমিটি বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রফতনিকারকরা স্বাভাবিক আনুষ্ঠানিকতা ও বিদ্যমান পদ্ধতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এর মাধ্যমে ডিসকাউন্ট কমিটির কাছে আবেদন জমা দিতে পারবেন।
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিসকাউন্ট কমিটিতে সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন কে কমিটির সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগের ফলে জাহাজ নির্মাণ ও হিমায়িত খাদ্য রফতানি খাতে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা আরও সহজ হবে এবং রফতানিকারকদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হবে।