Tuesday 03 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক: মতিউর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:৫৫ | আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০১

এনবিআর-এর সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান -সংগৃহীত কোলাজ ছবি

ঢাকা: নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদকে ‘শতভাগ ফেক’ বলে দাবি করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান।

তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদগুলোর বিষয়ে প্রমাণ চাইলে তিনি তা দিতে পারবেন। তার আইনজীবীর কাছে এসব প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন মতিউর রহমান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক। এই ফেক নিউজের রেজাল্ট কী আসে? প্রমাণ চাইলে শতভাগ প্রমাণ দিতে পারব। আমার আইনজীবীর কাছে সব প্রমাণ আছে।’

বিজ্ঞাপন

এদিন প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার বিষয়টি আদালতকে অবহিত করা হলে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বিএম তারিকুল কবীর আগামী ১ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ জুলাই মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। পরে ৩ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

দুদকের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

২০২৪ সালে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক এবং তার পারিবারিক পরিচয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ইফাতের বাবা হিসেবে মতিউর রহমানের নামও সামনে আসে।

এরপর মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের তথ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের নামে থাকা বিপুল সম্পদের তথ্যও সামনে আসে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৪ জুন মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বিও হিসাবও ক্রোক করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর