Sunday 04 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দেশের আর্থিক খাতকে ব্যবসা-রাজনীতি থেকে আলাদা করার প্রস্তাব জামায়াতের

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৪ অক্টোবর ২০২৬ ২০:১১

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কথা বলছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ও অর্থ কমিটির সদস্য সাইফুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিতে দেশের আর্থিক খাতকে রাজনীতি ও ব্যবসা থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করার জোর তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং কোনো একক গোষ্ঠী বা পরিবারের হাতে পর্ষদের একক কর্তৃত্ব না রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া অর্থ লোপাটকারী ঋণখেলাপীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া, পরিচালনা পর্ষদের হাতে ঋণ অনুমোদনের বিশেষ ক্ষমতা বাতিল করা এবং পাচার হওয়া সম্পদ ফেরত আনার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত শীর্ষ সংসদীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। এদিন জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী এই সভা শেষ হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব প্রস্তাবের কথা তুলে ধরেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ও অর্থ কমিটির সদস্য সাইফুল আলম। জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে ব্যাংকিং খাত সংস্কারের এই প্রস্তাবগুলোকে অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন কমিটির সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল আলম বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে দিনের পর দিন যে অনিয়ম ও দুর্নীতি তৈরি হয়েছে, তা রোধ করতে হলে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং কঠোর নিরপেক্ষ মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা অত্যাবশ্যক। রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে আর্থিক খাতকে পুরোপুরি পেশাদারভাবে পরিচালনার যে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, তা দেশের ব্যাংকিং খাত সংস্কারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। অর্থমন্ত্রীও নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখে ব্যাংকিং খাত পুনর্বিন্যাসে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঋণ অনুমোদনের জন্য সুনির্দিষ্ট ও কঠোর মানদণ্ড স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের হাতে ঋণ অনুমোদনের যে ক্ষমতা রয়েছে, তা বাতিল করার দাবি জানিয়েছি আমরা, যাতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার বা অনিয়ম না ঘটতে পারে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর