Tuesday 27 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দুই মাসে কৃষিঋণ বিতরণ ৬ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৭ অক্টোবর ২০২৬ ২১:০৬

ঢাকা: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরের তুলনায় এ লক্ষ্যমাত্রা ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৬ হাজার ৮৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে বিতরণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৮২৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে ৪২ দশমিক ১০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের ‘কৃষি ও পল্লিঋণ বিষয়ক মাসিক প্রতিবেদন, আগস্ট ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষিঋণ বিতরণের পাশাপাশি ঋণ আদায়ও বেড়েছে। একই সময়ে কৃষিঋণের মোট স্থিতি বাড়লেও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ কমেছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এবার লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আগস্টে ব্যাংকগুলো কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ৪ হাজার ১৯৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। গত জুলাইয়ে বিতরণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৫৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে ৫৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গত বছরের আগস্টে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৭২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে আগস্টে কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৭ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কৃষিঋণ বিতরণের এই প্রবৃদ্ধির পেছনে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বেশি অবদান রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কৃষিঋণের বড় অংশ যাচ্ছে ফসল উৎপাদন এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে মোট কৃষিঋণ বিতরণের ৪৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ গেছে ফসল খাতে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে গেছে ৩১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এ ছাড়া মৎস্য খাতে বিতরণ করা হয়েছে মোট কৃষিঋণের ১৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রমে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

গত অর্থবছরের একই সময়ে ফসল খাতে কৃষিঋণ বিতরণের অংশ ছিল ৪৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে ছিল ২৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। মৎস্য খাতে ছিল ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

অর্থাৎ, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ফসল খাতে কৃষিঋণের অংশ বেড়েছে ২ দশমিক ১০ শতাংশ পয়েন্ট এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে বেড়েছে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ পয়েন্ট। বিপরীতে মৎস্য খাতে কমেছে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ পয়েন্ট।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফসল ও প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণের অংশ বাড়ার বিষয়টি কৃষির বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। আমন ধান চাষ এবং আগাম শীতকালীন ফসল উৎপাদনের প্রস্তুতির সঙ্গেও ফসল খাতে ঋণ বিতরণের এই প্রবণতার সম্পর্ক রয়েছে।

কৃষিঋণ বিতরণের পাশাপাশি ঋণ আদায়েও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের আগস্টে ব্যাংকগুলো কৃষিঋণ আদায় করেছে ৩ হাজার ৮৯৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। গত জুলাইয়ে আদায় হয়েছিল ৩ হাজার ৫২০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে ঋণ আদায় বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

গত বছরের আগস্টে কৃষিঋণ আদায়ের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১১৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ঋণ আদায় বেড়েছে ২৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কৃষিঋণ আদায় হয়েছে ৭ হাজার ৪১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৬ হাজার ৭৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এ সময়ে ঋণ আদায় বেড়েছে ২২ দশমিক ১৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায় বৃদ্ধিও এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

চলতি অর্থবছরের আগস্ট শেষে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা কৃষিঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৬২০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সুদের অর্থও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত বছরের আগস্ট শেষে এ স্থিতি ছিল ৫৯ হাজার ৫৪১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কৃষিঋণের স্থিতি বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

তবে কৃষিঋণের মেয়াদোত্তীর্ণ পাওনা বা বকেয়া ঋণের পরিমাণ কমেছে। আগস্ট শেষে মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৯৬৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণ কমেছে ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণ কমে যাওয়ার কারণে সামগ্রিক বকেয়া ঋণের পরিমাণ কমেছে। এসব ব্যাংকের মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমেছে ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের ৬০ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর জন্য ১৩ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা।

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রা ৩৬ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। আর বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অন্তত ৫০ শতাংশ ঋণ ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব শাখা ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমেও কৃষিঋণ বিতরণ করা যাবে।

কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ও পল্লি খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি গঠন করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংকগুলো ৩ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে। আগে এ হার ছিল ৪ শতাংশ।

কৃষক বা গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সরল সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে। শরিয়াহভিত্তিক অর্থায়নের ক্ষেত্রেও মুনাফার হার ৭ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। তহবিলের অপব্যবহার করলে অথবা গ্রাহকের কাছ থেকে নির্ধারিত সীমার বেশি সুদ বা মুনাফা আদায় করলে অতিরিক্ত ২ শতাংশ দণ্ডসুদ আরোপের বিধান রয়েছে।

এ ছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার আরেকটি পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংকগুলোর পুনঃঅর্থায়ন সুদের হার ৩ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সুদ বা মুনাফার হার ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষিঋণের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমও সম্প্রসারিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আগস্টে গ্রামীণ ব্যাংক ও দেশের ১০টি বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) মিলে ১৮ হাজার ২৮১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করেছে। গত বছরের আগস্টের তুলনায় এ ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

একই মাসে এসব প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায় করেছে ১৭ হাজার ৯৪১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। গত বছরের আগস্টের তুলনায় ঋণ আদায় বেড়েছে ১২ দশমিক ১০ শতাংশ।

আগস্ট শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণস্থিতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯৫৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার ৬৯৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। মোট ঋণস্থিতির তুলনায় মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের হার ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ও আশা—এই তিন প্রতিষ্ঠান আগস্টে মোট ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের ৬৯ দশমিক ১৩ শতাংশ বিতরণ করেছে। দেশের প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ সদস্য ১১টি প্রতিষ্ঠানের ১৪ হাজার ৬১১টি শাখার মাধ্যমে এসব ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা পেয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্র্যাক আগস্টে ৬ হাজার ৫৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, আশা ৩ হাজার ৫৪৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং গ্রামীণ ব্যাংক ২ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করেছে।

তবে ক্ষুদ্রঋণের মেয়াদোত্তীর্ণ পাওনার পরিমাণও নজরদারিতে রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রামীণ আয়ের মৌসুমি ওঠানামা, নগদ অর্থের প্রবাহে সীমাবদ্ধতা এবং পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কিছু ঋণগ্রহীতা কিস্তি পরিশোধে সমস্যায় পড়তে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) চলতি অর্থবছরের আগস্টে ৭২৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। গত বছরের একই মাসে বিতরণের পরিমাণ ছিল ৫৭৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ২৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

আগস্টে সংস্থাটি ঋণ আদায় করেছে ৮১৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। গত বছরের একই মাসে আদায় হয়েছিল ৬৩৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ আদায় বেড়েছে ২৮ দশমিক ১৪ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে পিকেএসএফের মোট ঋণ বিতরণ হয়েছে ৭৫৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি। এ সময়ে ঋণ আদায় হয়েছে ১ হাজার ৪৩৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি।

আগস্ট শেষে পিকেএসএফের ঋণস্থিতি ছিল ১৬ হাজার ২৭৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ ১১১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কৃষিঋণ বিতরণ ও আদায়—দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বিশেষ করে ফসল এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে ঋণ বিতরণের অংশ বেড়েছে। একই সময়ে কৃষিঋণের মোট স্থিতি বাড়লেও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমেছে।

তবে কৃষি ও পল্লি অর্থনীতিতে অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, নিয়মিত ঋণ আদায় এবং ঋণগ্রহীতাদের পরিশোধ সক্ষমতা বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের লক্ষ্য, কৃষি ও পল্লি খাতে অর্থায়ন বাড়িয়ে কৃষি উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করা। এ জন্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা, কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা এবং ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থায়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ঢাকায় কাশ্মীর ব্ল্যাক ডে পালিত
২৭ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৩৯

আরো

সম্পর্কিত খবর