Monday 02 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

লেবাননের ৫৩টি গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ ইসরায়েলের

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
২ মার্চ ২০২৬ ১০:৩৪ | আপডেট: ২ মার্চ ২০২৬ ১১:৪০

লেবাননের দক্ষিণ উপকণ্ঠে লোকজন গাড়িতে করে চলে যাচ্ছে। রয়টার্স

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ৫৩টি গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

সোমবার (১ মার্চ) আল জাজিরার খবরে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

গাজায় নির্বিচারে হামলা চালানোর আগে ইসরায়েল এভাবে বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। লেবাননেও বিস্তৃত এলাকার জন্য এমন সতর্কবার্তা দিল দেশটি।

লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর দেশের দক্ষিণের বাসিন্দারা ‘ব্যাপকহারে ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।’

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, টায়ার অঞ্চল থেকে বৈরুত এবং উত্তর লেবাননের দিকে চলে যাচ্ছে বহু মানুষ। শুধুমাত্র দক্ষিণাঞ্চল নয় রাজধানী বৈরুত থেকেও মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ইসরায়েল যে অঞ্চলের জন্য বাস্তুচ্যুতি আদেশ জারি করেছে, সেই দাহিয়েহ শহরে লক্ষ লক্ষ লোক বাস করে। তারা এখন ব্যাগ গোছাচ্ছে এবং নিরাপদ এলাকায় চলে যাচ্ছে।

দাহিয়েহকে হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৪ সালের শেষ যুদ্ধের সময় এবং তারপর থেকে বেশ কয়েকবার এই এলাকায় আক্রমণ করা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, সেটা ছিল মূলত একতরফা। ইসরায়েল সেই চুক্তি মেনে চলেনি এবং আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। তারা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অস্ত্র তৈরির এবং গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করার জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ এনেছে।

মুসলিম অধ্যুষিত লেবাননে চলছে রমজান মাস। আজ সোমবার লেবানিজরা সেহরি খাওয়ার পরিবর্তে একটি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে চলেছে।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জবাবে সোমবার থেকে লেবাননে পালটা আক্রমণ শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এরই মধ্যে লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর বড় ধরনের রকেট হামলার পর তারা লেবাননজুড়ে গোষ্ঠীটির ঘাঁটিতে আঘাত হানছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘হিজবুল্লাহকে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য কোনো হুমকি তৈরি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। এই হামলার কঠোর ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে।’

এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছিল হিজবুল্লাহ। লেবানন ও তার জনগণকে রক্ষা এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল গোষ্ঠীটি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর