মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তেহরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত বা বর্তমান নেতৃত্ব ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত এই যুদ্ধ থামবে না। বিমান হামলা এমন পর্যায়ে যেতে পারে যেখানে ইরানের আত্মসমর্পণ করার মতো কোনো নেতৃত্বই অবশিষ্ট থাকবে না।
রোববার (৮ মার্চ) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনায় ইরানি হামলার জন্য ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জোটে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে তার এই ‘ক্ষমা প্রার্থনা’ ইরানের কট্টরপন্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
রেভল্যুশনারি গার্ডস এবং বিচার বিভাগীয় প্রধান মহসেনি-এজেই স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূমি ব্যবহার করে যদি ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে পালটা আঘাত অব্যাহত থাকবে।
এদিকে ইসরায়েল লেবাননে হিজবুল্লাহর আস্তানায় ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। বৈরুতের কেন্দ্রস্থলে একটি বহুতল ভবনে হামলায় অন্তত ৩০০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছেন, হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে লেবাননকে ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে।
অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডরা আবুধাবির কাছে একটি মার্কিন বিমান কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী চলমান যুদ্ধে, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৩৩২ জন ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের হামলায় ইসরায়েলে ১০ জন এবং অন্তত ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।