Saturday 14 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা হয়েছে ২৫০০ মার্কিন স্থলসেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ মার্চ ২০২৬ ১৭:২২ | আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৭:২৮

জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত নিজেদের ঘাঁটি থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এখন যাত্রাপথে রয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো আড়াই হাজার মার্কিন মেরিন সেনার একটি দল মোতায়েন করা হচ্ছে।

জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত নিজেদের ঘাঁটি থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এখন যাত্রাপথে রয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’।

শনিবার (১৪ মার্চ) আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধজাহাজ থেকেই মেরিন সেনারা সরাসরি রণক্ষেত্রে নামবেন। কোনো সংকট মোকাবিলা কিংবা ইরানের কোনো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রয়োজনে তাদের ব্যবহার করা হতে পারে।

মূলত এ মেরিন সেনারাই হতে যাচ্ছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধে মোতায়েন হওয়া প্রথম মার্কিন স্থলসেনা।

বিজ্ঞাপন

ধারণা করা হচ্ছে, প্রয়োজনে ইরানের উপকূলীয় কোনো অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া কিংবা কৌশলগত কোনো পয়েন্টে ঝটিকা অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যেই এই মেরিন বাহিনীকে পাঠানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, যা সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রণক্ষেত্রে যখন সেনাসংখ্যা বাড়ছে, তখন কূটনৈতিক টেবিলেও কিছুটা নড়াচড়া লক্ষ্য করা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যুদ্ধ শেষ করার একটি অস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও ইরান এর আগে স্পষ্ট জানিয়েছিল, তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। তবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শান্তির লক্ষ্যে ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেছেন।

পেজেশকিয়ানের উত্থাপিত ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: ইরানের সার্বভৌম অধিকারের পূর্ণ স্বীকৃতি, পরবর্তীতে দেশটির ওপর আর কোনো হামলা হবে না এমন আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি এবং একটি টেকসই শান্তি চুক্তি। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল এখন পর্যন্ত এই দাবিগুলোর বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালিয়ে দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। এর জবাবে পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে ইরান।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর