Monday 21 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চুক্তি সইয়ের পর ট্রাম্প বললেন, ‘যুদ্ধ ফের শুরু হতে পারে’

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
১৮ জুন ২০২৬ ১২:০৩

সমঝোতা স্মারকে ডিজিটাল সই করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্সের ভিডিও থেকে সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান তাদের মধ্যকার যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির খসড়া প্রকাশ করেছে। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, ইরান তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে তিনি পুনরায় হামলা শুরু করবেন এবং ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যা করবেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নৈশভোজের সময় ট্রাম্প এই সমঝোতা স্মারকে ডিজিটাল সই করেন। ইরানের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই স্মারকে সই করেন।

বিজ্ঞাপন

ফ্রান্সে অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্প এখন সফরে আছেন। সম্মেলন শেষে নৈশভোজে ট্রাম্প ইরানকে প্রথম থেকেই আক্রমণ করার পেছনে তার দেওয়া অন্তত একটি যুক্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তেহরানের কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র না থাকাটা ‘অন্যায়’ হবে, কারণ তারা আগে এগুলো ধ্বংস করার অঙ্গীকার করেছিলেন।

একটি সংবাদ সম্মেলনে ইরানকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন,‘যদি তারা চুক্তি লঙ্ঘন করে, আমরা তাদের ওপর বোমা বর্ষণ করব। আমি চাই না তারা তা করুক। আমি চাই তারা চুক্তিটি মেনে চলুক।’

তিনি ইরানিদের ‘বুদ্ধিমান মানুষ’ বলেও অভিহিত করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনবে এবং তেলের দাম কমাবে বলে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘যদি আমার এটা পছন্দ না হয়, যদি তারা ঠিকমতো আচরণ না করে, আমরা আবার তাদের মাথার ঠিক মাঝখানে বোমা ফেলতে শুরু করব, ঠিক আছে?’

ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ‘সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা যা কিছু অর্জন করতে চেয়েছিলাম, আলোচনার মাধ্যমে আমরা বেশ কয়েকবার অর্জন করেছি।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। প্রথম দিনেই ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং সামরিক নেতাদের হত্যা করে। এই হামলা খুব দ্রুত একটি আঞ্চলিক সংঘাতে পরিণত হয়। যেখানে ৭০০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই ইরান এবং লেবাননের নাগরিক ছিলেন।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর