ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ‘পিকঅ্যাক্স’ নামক একটি স্থাপনার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, এটি ‘খুব বড় কোনো বিষয় নয়’ এবং মাত্র ‘এক ঘণ্টায়’ তা সম্পন্ন করা সম্ভব।
গত কয়েক দিন ধরে এমন জল্পনা চলছিল যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলা শুরু করতে পারে।
সোমবার রাতে খবর পাওয়া যায়, হরমুজ প্রণালির মুখে অবস্থিত কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের একাংশ একে ‘আত্মরক্ষামূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বিবিসি এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য সেন্টকমের (Centcom) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তবে এখনও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
রক্ষণশীল ভাষ্যকার টাকার কার্লসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই ‘পিকঅ্যাক্স’ পাহাড়ে ‘পারমাণবিক হামলা’ চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কার্লসন বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক হলেও, প্রশাসনের ভেতরে তার ভালো যোগাযোগ রয়েছে।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি জানিয়েছেন, তাকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘তাদের এই পরিকল্পনা উন্মাদনা ছাড়া আর কিছুই নয়।’
গত ৩১ অক্টোবর ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানে পুনরায় হামলা শুরু করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
ট্রাম্প ফক্স নিউজকে আরও বলেন, হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ বিনিয়োগ এসেছে, তার তুলনায় ইরান যুদ্ধে ব্যয় করা অর্থ খুবই নগণ্য বা সামান্য।