Wednesday 21 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মানবতাবিরোধী অপরাধে সজীব ওয়াজেদ জয় ও পলকের বিচার শুরু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩২ | আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:০০

সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলক।

ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞ চালানোর অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

এদিন শুরুতেই আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার বিচার শুরু হয়। একই সঙ্গে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

মামলার দুই আসামির মধ্যে গ্রেফতার রয়েছেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। তাকে বুধবার সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন মনজুর আলম।

এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন পলকের পক্ষে আইনজীবী লিটন আহমেদ এবং জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম শুনানি করেন। তারা প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের বিরোধিতা করে আসামিদের সংশ্লিষ্টতা নেই দাবি করে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে প্রসিকিউশন পক্ষ অভিযোগ গঠনের আবেদন করে।

গত ১১ জানুয়ারি মামলার শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান এবং আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। এর পরদিন ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সদস্যরা হামলা চালায়। একই সঙ্গে ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করা হয়। এসব ঘটনায় রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন শহীদ হন। এছাড়া উত্তরায় সংঘটিত ৩৪টি হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগও রয়েছে।

এ মামলায় গত ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। গ্রেপ্তার থাকায় একই দিন পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে ই-বেইলবন্ড সিস্টেম চালু
২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩০

আরো

সম্পর্কিত খবর