Tuesday 03 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

অনুমোদনহীন সিসা লাউঞ্জ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩ মার্চ ২০২৬ ১৫:০০ | আপডেট: ৩ মার্চ ২০২৬ ১৫:৫৭

ঢাকা: রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত সিসা বার ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু।

এর আগে, গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর গুলশান ও বনানী এলাকায় অনুমোদনবিহীন সিসা বার ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এ রিট করেন।

বিজ্ঞাপন

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, র‌্যাব মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবৈধ সিসা বার বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরা এলাকায় রাত গভীর হলে অনেক ক্যাফে ও লাউঞ্জ সিসা বারে রূপ নেয়। বাইরে থেকে সাধারণ লাউঞ্জ মনে হলেও ভেতরে চলে তামাকজাত সিসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন। কোনো কোনো স্থানে অনৈতিক কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশে সিসা বা হুক্কা পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে কোনো অনুমতি দেয় না। তা সত্ত্বেও রাজধানীতে শতাধিক সিসা বার গড়ে উঠেছে, যার অন্তত অর্ধেক তরুণ-তরুণীদের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব স্থানে উচ্চ শব্দে গান বাজানো হয় এবং ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকে অ্যালকোহলের গন্ধ। অনেক ক্ষেত্রে সিসার সঙ্গে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল কিংবা লিকুইড কোকেন মেশানোর অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া কিছু সিসা বারে আলাদা কেবিন তৈরি করা হয়েছে, যা বাইরে থেকে সাধারণ বসার জায়গা মনে হলেও ভেতরে সাউন্ডপ্রুফ কক্ষ থাকে। নির্দিষ্ট গ্রাহকদের জন্য ঘণ্টাভিত্তিক ভাড়ায় এসব কেবিনে সিসা, অ্যালকোহল ও অন্যান্য মাদক সরবরাহ করা হয়। এর পাশাপাশি অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর