ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি দ্রুত বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
তদন্ত শেষে রোববার (২৪ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দেন। এর পর মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার চার্জশিটে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এদিকে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা চলছে।’
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় প্রতিবেশী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে তারা দুজনই দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ ঘটনায় দ্রুত বিচার দাবিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সোচ্চার হন। ঘটনার দু’দিন পর রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে সময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্নের আশ্বাস দেন।