Wednesday 14 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কামরুল-মেনন-আনিসুলদের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ডিসেম্বরের মধ্যে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৫৯

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন ও আনিসুল হকসহ বেশ কয়েকটি আলোচিত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

‎তিনি জানান, এসব মামলার সার্বিক অগ্রগতিতে প্রসিকিউশন সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আসামিপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুরু হবে, যার ওপর ভিত্তি করে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যতালিকা নির্ধারণ করবেন।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর তামিম আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই ট্রাইব্যুনালে সাতটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিভিন্ন মেয়াদের ও পর্যায়ের প্রায় ৭০টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থান, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত প্রায় ৭০০টি অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ট্রাইব্যুনালের পুরো অবকাঠামো ও কার্যক্রম নতুনভাবে বিন্যস্ত করতে হয়েছে, যার ফলে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লেগেছে। তবে গড়ে একটি মামলার বিচার শেষ হতে সাত থেকে আট মাস সময় লাগে। গ্রেফতার হওয়া সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে, যা চিফ প্রসিকিউটরের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।

বিচারকাজের ধীরগতি নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে তামিম বলেন, প্রসিকিউশন আইনের নির্দিষ্ট বিধিবিধান ও নিরপেক্ষ বিচারিক প্রক্রিয়া মেনেই প্রতিটি ধাপে কাজ করছে, যেখানে উভয়পক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সমান সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এই তদন্ত শেষ হতে ঠিক কতটা সময় লাগবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর