Thursday 05 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আমু-শাজাহানসহ ৬ জনকে হাজিরের নির্দেশ, মির্জা আজমের পরোয়ানা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৫ নভেম্বর ২০২৬ ১৩:৫৪ | আপডেট: ৫ নভেম্বর ২০২৬ ১৩:৫৬

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে গ্রেফতার ছয়জনকে আগামী ২২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ এবং পলাতক একজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাসিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিজ্ঞাপন

মামলার শুনানি চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষে অভিযোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এ সময় প্রাইমা ফেসি বা প্রাথমিক সত্যতা বিবেচনায় নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার পাশাপাশি গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট এবং পলাতক আসামির নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আর্জি জানান তিনি। শুনানিতে অন্যান্যের মধ্যে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মার্জিনা রায়হান ও শহিদুল ইসলাম সরদার উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আর্জি মঞ্জুর করে অভিযোগ আমলে নেন এবং পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। মামলাটিতে আমির হোসেন আমু ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাবেক নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অভিযুক্তদের মধ্যে মির্জা আজম পলাতক রয়েছেন এবং বাকি ছয়জন বর্তমানে কারাগারে বন্দি।

এর আগে গত ২ নভেম্বর আওয়ামী লীগের এই সাত হেভিওয়েট নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে বিদায়ী সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তারা মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। তারা ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারফিউ জারি এবং সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যুক্ত ছিলেন।