ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো উপজেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা না পাওয়া গেলে পার্শ্ববর্তী বা নিকটবর্তী উপজেলা থেকে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে কোনো একটি আসনের সব প্রিজাইডিং অফিসারকে একযোগে অন্য আসনে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় ইসি জানায়, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল চূড়ান্ত করার সময় সংশ্লিষ্ট উপজেলায় কর্মকর্তা সংকট দেখা দিলে তবেই কেবল পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো নির্দিষ্ট আসনের সব প্রিজাইডিং অফিসারকে ঢালাওভাবে অন্য কোনো আসনে বদলি বা নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
গত ২৯ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাঠানো একটি পত্রের (স্মারক নম্বর–৬৬) পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে স্পষ্টীকরণ দেয় নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মূল নির্দেশিকা (স্মারক নম্বর–৩৯৮) জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনার আলোকে বর্তমান সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল আবেদন গ্রহণ করা হবে। আপিল নিষ্পত্তি চলবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং তা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।