Monday 12 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘এমন একটি দেশে ফিরে আসতে পেরে আমি ও আমার স্ত্রী আনন্দিত’

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
১২ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৫১ | আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০৭

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ও তার স্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে খুবই আনন্দিত বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানান তিনি।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা আমার জন্য সম্মানের বিষয়। আমি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে আগ্রহী।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী ও আমি এমন একটি দেশে ফিরে আসতে পেরে আনন্দিত, যে দেশের সঙ্গে আমাদের অনেক সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে আছে।’

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, চল‌তি সপ্তা‌হের ১৫ জানুয়ারি পরিচয়পত্র পেশের মধ্য দিয়ে ঢাকা মিশন শুরু করবেন ক্রিস্টেনসেন। দু’দিন পররাষ্ট্রস‌চিব আসাদ আলম সিয়াম ও রাষ্ট্রাচার অনুবিভাগের প্রধান নুরল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে প‌রিচয়পত্র পে‌শের প্রস্তু‌তি নে‌বেন তিনি। এর পর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপ‌তি মো. সাহাবু‌দ্দি‌নের কা‌ছে প‌রিচয়পত্র পেশ কর‌বেন।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে নিয়োগ পাওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে ডিসেম্বরে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মার্কিন সিনেট। ২০১৯-২১ সাল পর্যন্ত ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
এ ছাড়া, ক্রিস্টেনসেন ২০২২ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিরোধ মিশনের আন্তর্জাতিক প্রভাব নিয়ে পরামর্শ দিতেন। দুই দশকের বেশি সময়ের কূটনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ওয়াশিংটন ও বিদেশে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্কিন রাজনৈতিক-সামরিক ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র হস্তান্তর দফতরের উপ-পরিচালক, উত্তর কোরিয়া নীতির জন্য বিশেষ প্রতিনিধির বিশেষ সহকারী এবং যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক উপ-কমিটিতে পিয়ারসন ফেলো হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ক্রিস্টেনসেন ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলোতে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর