Thursday 26 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে স্বাধীনতার ঘোষককে নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৭ মার্চ ২০২৬ ০০:০৪

সেমিনারের মূল বক্তা ও প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম।

ঢাকা: মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে ‘উই রিভোল্ট: রাষ্ট্রনায়ক শহিদ জিয়া ও মহান স্বাধীনতা দিবস’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবন, নেতৃত্ব ও জাতীয়তাবাদী দর্শন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে তিনি যে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা আজও আমাদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। স্বাধীনতার পর, যখন দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছিল সাহসী নেতৃত্বের ওপর, তখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপপ্রধান পদে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে দেশের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করেছেন। তার নেতৃত্বের সেই সময়ের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সাহস আমাদের অনুপ্রাণিত করে, যেন তিনি ছিলেন আমাদের আশার আলো—যার সাহস ও নেতৃত্বের কথা জাতির ইতিহাসে চিরকাল অমলিন থাকবে।

বিজ্ঞাপন

সেমিনারের মূল বক্তা ও প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব জাতিকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় পরিচয় গঠনে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে উজ্জীবিত করেছিল এবং মুক্তিযুদ্ধে তার নেতৃত্ব—বিশেষ করে জেড ফোর্সের নেতৃত্ব—তার সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। শহিদ জিয়া যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, তখন কেউ ধর্ম বর্ণ কোনোকিছুর দিকে তাকায়নি, তার ঘোষণার সঙ্গে ঐক্যমত পোষণ করে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তিনি আশা প্রকাশ তার এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করা বিভিন্ন পদবীর প্রশিক্ষানার্থীদের মাঝে দেশ প্রেম উজ্জীবিত করবে এবং জন বান্ধব পুলিশ মনোভাব জাগ্রত হবে।

সেমিনারে ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের প্রশিক্ষণার্থীদের পাশাপাশি প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর