ঢাকা: বাংলাদেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও কারসাজি রোধে দেশজুড়ে বিশেষ ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমের মাধ্যমে অবৈধ মজুদদারি বা কারসাজির তথ্য প্রদানকারীদের জন্য পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। অবৈধ মজুতদারি বন্ধে তথ্য দানকারীদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্রেতাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি না কিনে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রেখে সাশ্রয়ী ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শুক্রবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ৬ টন জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ডিজেল ও সরঞ্জামের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা। উদ্ধারকৃত তেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে সংরক্ষিত রয়েছে এবং এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল পরিবহণের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল অপসারণ করে তা বিভিন্ন স্থানীয় বিক্রেতার কাছে সরবরাহ করে থাকে।
ওই বার্তায় জানানো হয়, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে সব তেল ডিপো, পেট্রোল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট তেল কারবারিরা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির আওতায় রয়েছে।
এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।