প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনসহ বিগত সময়ে আমার ও আমার পরিবারের ওপর নানা নিপীড়ন চালানো হয়েছে। এখন বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে এবং আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারি। কিন্তু আমি যদি প্রতিশোধ নেই তাতে কোনো বেনিফিট কি হবে?
রোববার (২১ জুন) রাতে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশ আমাদের সবার, তাই আমাদের এই প্রতিশোধের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দেড় দশকে একটি গোষ্ঠী দেশটিকে ধ্বংস করে ফেলেছে। মানুষ বুকের রক্ত দিয়ে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে। এখন নিজেদের ব্যক্তিগত দাবি-দাওয়া নিয়ে পড়ে থাকার সময় নয়, বরং ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে টেনে তুলতে কার কী কর্তব্য আছে তা নিয়ে ভাবতে হবে। দেশ গঠনে বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়েও তিনি কথা বলেন।’
কুয়ালালামপুরের পরিচ্ছন্নতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার দেশের ভাইরা যদি বিদেশে সব কিছু সুন্দরভাবে করতে পারেন, তবে দেশে কেন পারব না? আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশের সামনে অত্যন্ত সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। তবে এর জন্য আমাদের পরিশ্রম করতে হবে এবং প্রচুর ধৈর্য ধারণ করতে হবে।’
প্রবাসীদের আইনি জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ আইনে আমাদের চলতে হবে। আগামীকাল সোমবার (২২ জুন) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় আমরা প্রবাসীদের জন্য আইন অনুযায়ী যতটুকু সুবিধা আদায় করা সম্ভব, তা করার চেষ্টা করব।’
সভায় বিএনপি মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান ধন্যবাদ বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন।