২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২৫তম বার্ষিকীতে হামলায় নিহত ২ হাজার ৯৭৭ জনকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় ঢাকার মার্কিন দূতাবাস নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানায়। একই সঙ্গে ভয়াবহ ওই হামলায় প্রাণ হারানো মানুষদের স্মরণ করে তাদের স্বজন ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ভয়াবহতম সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।
সেদিন আল-কায়েদার সদস্যরা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে। এর মধ্যে দুটি বিমান নিউইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের (ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার) টুইন টাওয়ারে এবং একটি বিমান ওয়াশিংটন ডিসির কাছে পেন্টাগনে আঘাত হানে। অপর একটি বিমান পেনসিলভানিয়ার একটি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। হামলায় নিউইয়র্ক, পেন্টাগন ও পেনসিলভানিয়ায় মোট ২ হাজার ৯৭৭ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক ছিলেন। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি ও সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকৌশলে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।
প্রতিবছর ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি নিহতদের স্মরণে পালন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে স্মরণ অনুষ্ঠান, শ্রদ্ধা নিবেদন ও অন্যান্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ বছর হামলার ২৫ বছর পূর্তি হওয়ায় ৯/১১-এর স্মরণে আয়োজিত কর্মসূচি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ভয়াবহ ওই হামলার দুই দশকেরও বেশি সময় পরও নিহতদের স্বজন, প্রত্যক্ষদর্শী এবং উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে দিনটি গভীর বেদনা ও স্মৃতির দিন হিসেবে ফিরে আসে।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসও ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকীতে নিহতদের স্মরণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। দূতাবাসের বার্তায় ভয়াবহ ওই হামলায় প্রাণ হারানো মানুষদের স্মৃতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
৯/১১ হামলার পর বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিমানবন্দর তল্লাশি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধে বিভিন্ন দেশ নতুন উদ্যোগ নেয়। এর মধ্য দিয়ে ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও রাজনীতির ওপরও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।