ঢাকা: ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের বিশেষ শিক্ষা ক্যাডারে পূর্বে বাদ পড়া ৪০ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগের এই গেজেট জারির মাধ্যমে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটল।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের আগামী কার্যদিবসে কাজে যোগদানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত ক্যাডার অফিসারদের তালিকা পূর্ণাঙ্গ করার পাশাপাশি শিক্ষা খাতে শূন্য পদ পূরণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, পিএসসি থেকে মোট ৬৬৫ জনকে ক্যাডার পদের জন্য উত্তীর্ণ ও সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত তালিকায় সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আটজন প্রার্থী স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় অবশিষ্ট ৬৫৭ জন প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য বিবেচিত হন। সরকার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো প্রার্থীর প্রতি বৈষম্য করেনি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে শেষ করেই কয়েকটি দফায় নিয়োগ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করছে।
প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত নির্ধারিত সব নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারি নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশন বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত পুলিশি যাচাই একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। যাচাই-বাছাইয়ে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর কোনো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অথবা পুলিশ ভেরিফিকেশনে নেতিবাচক তথ্য পাওয়া গেলে শতকরা একজন বা হাজারে দুই-একজন বাদ পড়তে পারেন। কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ভিন্ন পরিচয়ের কারণে কাউকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে এমন ধারণা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। চূড়ান্তভাবে বাদ পড়া প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন কার্যক্রম নিখুঁতভাবে শেষ হওয়ার পরই এই ৪০ জনের নতুন প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
জারি করা প্রজ্ঞাপন-