প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফর দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা করছে জাপান।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে এই প্রত্যাশা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপান সফর করবেন। এটি একটি আনুষ্ঠানিক সফর (অফিসিয়াল ভিজিট) হিসেবে গণ্য হবে।
জাপান সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং তার সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অংশীদার, যারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধ ও নীতিতে বিশ্বাসী। এ ছাড়া, এই সফর হালনাগাদকৃত ‘মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক’ ধারণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে সহায়তা করবে।
এদিকে ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর সামনে রেখে ৮টি সমঝোতা স্মারক সই নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই দেশের মধ্যে যেসব বিষয়ে সমঝোতা সই নিয়ে আলোচনা চলছে, তার মধ্যে রয়েছে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ইত্যাদি। তবে এর মধ্যে ৪-৫টি সমঝোতা সই হতে পারে।