শরীয়তপুর: জেলার নড়িয়ায় ৭ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ জামায়াত কর্মীর গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বাভাবিক ও ইনসাফ বঞ্চিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন শরীয়তপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডা. মাহমুদ হোসেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে সখিপুর থানার চরভাগা নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘আমি আমার আসনে নির্বাচন পরিচালনার জন্য আসন পরিচালক ও নায়েবে আমির কেএম মকবুল হোসেনকে দিয়ে কিছু টাকা পাঠিয়েছিলাম। যা ১৩৬টি কেন্দ্রে আমার নির্বাচনি কর্মীদের সকালের নাস্তা ও দুপরের খাবারের জন্য। সেই টাকাটা তিনি যখন আমার নির্বাচনি কার্যালয়ে কর্মীদের মাঝে বিতরণ করছিলেন তখন বিরোধীপক্ষের কিছু লোক মব সৃষ্টি করে আমাদের কর্মীদের হেনস্তা করে। তখন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিথ্যা অভিযোগে আমাদের টাকা ও কিছু কাগজপত্র এবং ল্যাপটপ জব্দ করেছে।’
তিনি প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা বিচারের প্রতি আস্থাশীল। তবে আমার বুঝে আসে না, এই বিস্তীর্ণ এলাকায় আমি আমাদের কর্মীদের কীভাবে খাবার খাওয়াব। ওনারা নানারকম মিডিয়া ট্রায়াল এবং অস্বাভাবিক একটি বিষয় হিসেবে নিয়ে আমার এক বন্ধুর কারাদণ্ডের ব্যবস্থা করেছে। আমি বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যে আমি ইনসাফ বঞ্চিত হয়েছি।’