ঢাকা: বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ঢাকা থেকে ভোলায় নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে তার মরদেহ ভোলার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ভোলা বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হবে। আজ বাদ জোহর সেখানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
তোফায়েল আহমেদের ভাগনী জামাই জাহিদুল হক শুভ ও দুঃসম্পর্কের নাতি মো. কামাল হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানাজা শেষে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে নেওয়া হবে। পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে। তবে গ্রামের বাড়িতেও জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোড়ালিয়া গ্রামে ভিড় করছেন আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা। এরইমধ্যে তার দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে।
১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ৯ বারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং কয়েকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে কাজ করার পর সর্বশেষ তিনি দলটির উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য ছিলেন।