Tuesday 06 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ফরিদপুরে চাঁদাবাজির মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজরসহ গ্রেফতার ৪

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩ জুন ২০২৫ ১৪:০৩
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ফরিদপুর: ফরিদপুরের নগরকান্দায় চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর গোলাম হায়দারসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার দিবাগত রাতে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

গোলাম হায়দার এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) স্বঘোষিত সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী।

নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুল ইসলাম জানান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হায়দারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফরহাদ হোসেনসহ আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজু মোল্লা নামের এক ব্যক্তি নগরকান্দায় থানায় আটক দুই জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকি সংক্রান্ত অভিযোগ দেয়। পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজু মোল্ল্যা অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন মেজর হায়দার। রাজু মোল্ল্যা এতে রাজি না হলে গত ১ জুন তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে ২ জুন সোমবার রাতে নগরকান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীরা জানায়, গভীর রাতে অভিযানের সময় মসজিদের মাইক ব্যবহার করে ফরহাদ হোসেন ‘মেজরের বাড়িতে ডাকাত পড়েছ’ বলে গুজব ছড়ান। এতে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে পুলিশ সাইরেন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে জানায়—এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব, ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় ফরহাদসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে মেজর (অব) হায়দারকেও নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

এর আগে, উপজেলার ডাংগি ইউনিয়নে বৈষম্য বিরোধী এক নারী নেত্রীকে ঘিরে উত্তেজনার সময় স্থানীয় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ চলাকালে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে উগ্র আচরণ ও অশোভন মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন অব: মেজর হায়দার। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করে।

গ্রেফতারের পর কোদালিয়া গ্রামজুড়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, তার প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে পারত না।

সারাবাংলা/ইআ