ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) সোমবার (৯ জুন) দুপুর পর্যন্ত পশু কোরবানির ৫২ হাজার ১১৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
এদিন বিকেলে দুই সিটি করপোরেশনের প্রসাশকদের পৃথক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ডিএনসিসি’র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত ২০ হাজার ৮৮৯ টন বর্জ্য সংগ্রহ করে ল্যান্ডফিলে ডাম্পিং করেছি। কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সমাপ্তি ঘোষণা না করে এটা চলমান রাখব।
তিনি বলেন, বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার পশু কোরবানি কম হয়েছে। তবে বর্জ্য উৎপন্ন হওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। এবার উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৮০টি কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে গরু ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৭টি, ছাগল ১ লাখ ৫৪৬টি, মহিষ ১ হাজার ৭৬২টি এবং ভেড়া ৪ হাজার ৫৭টি কোরবানি হয়েছে।

অপরদিকে ডিএসসিসি’র প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, পবিত্র ইদুল আজহার প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ড হতে শতভাগ কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তৃতীয় দিনে দুপুর পৌনে ৩টা পর্যন্ত ৭৫টি ওয়ার্ড হতে শতভাগ কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়। তৃতীয় দিন দুপুর পৌনে ৩টা পর্যন্ত মোট ৩১ হাজার ২২৬ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ হাজার মেট্টিক টন। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার অধিক বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৪টি পশু কোরবানি করা হয়েছে। প্রথম দিনে ১ লখ ৩৩ হাজার ৩১৭টি, দ্বিতীয় দিনে ৩১ হাজার ৭৪৫টি এবং তৃতীয় দিনে ১ হাজার ৬৯২টি পশু ৭৫টি ওয়ার্ডে কুরবানি করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে ১২৮৫৩ জন জনবল সম্পৃক্ত ছিল। বর্জ্য অপসারণে ছোট বড় ২০৭৯ টি যানবাহন এবং ৩৪৪টি যান যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কোরবানি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নগরবাসীর মধ্যে প্রায় ৪৫ টন ব্লিচিং পাউডার, ২০৭ গ্যালন (প্রতি গ্যালনে ৫ লিটার) এবং ১ লাখ ৪০ হাজার বায়ো-ডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করায় মাঠ পর্যায়ের পরিচ্ছন্ন কর্মী এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক।