Tuesday 06 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে: ডা. শফিকুর রহমান

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৬ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:১২

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ফাইল ছবি

ঢাকা: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হককে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে পদত্যাগপত্রে সই করিয়ে নেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে?’

ডা. শফিকুর রহমানের পোস্টে লিখেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কতিপয় লোক জোর করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) নাজমুল হোসাইনকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পোস্টে আরও বলা হয়, উপাচার্যকে ভয় দেখিয়ে ও হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে পদত্যাগপত্রে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে মানববন্ধন করে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে স্লোগান ও বক্তব্য দেওয়া হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হকের ভাষ্য তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এর আগেও কয়েকবার একইভাবে বিশৃঙ্খল আচরণ ও হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর উপাচার্য সংবাদ সম্মেলন করে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন এবং বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন বলেও জানান।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন পরীক্ষা চলমান থাকার কথা উল্লেখ করে পোস্টে বলা হয়, এসব পরীক্ষা-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটারের সিপিইউ চুরি করে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন উপাচার্য।

স্বাস্থ্য খাতে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এর আগেও বিভিন্ন ধরনের ‘মব’ তৈরি করা হয়েছে। রাজধানীতে হাসপাতাল ভাঙচুর, মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাকর্মীদের নানাভাবে নাজেহাল করার ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকায় রাড্ডা মেডিকেল সেন্টার ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি।

এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির সরকারের কাছে এ ধরনের ঘটনার ‘সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা’ দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বাস্থ্য খাতে এ ধরনের ‘মব’ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ‘হালুয়া-রুটির ভাগ-বাটোয়ারার জন্য’ করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বেপরোয়া অপকর্ম আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে আরও ধ্বংস করবে এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেবে।’

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর