Thursday 15 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পাবনায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৭ জুন ২০২৫ ১৮:৪৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

পাবনা: পাবনা-ঢাকা সড়কে চাঁদাবাজি ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট চলছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে পাবনা জেলা মোটর মালিক ও শ্রমিকরা এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এতে সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার মোটর মালিক ও শ্রমিকরা পাবনার ঢাকাগামী পরিবহন শ্রমিকদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ গত ২৫ জুন শাহজাদপুরের বাস শ্রমিকরা পাবনার একজন শ্রমিককে মারধর করলে এর প্রতিবাদে এই ধর্মঘট শুরু হয়।

এদিকে, চলমান অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। পাবনা ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাস মালিকদের মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে প্রায়শই এই রুটে অচলাবস্থা তৈরি হয়, যার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ যাত্রীরা। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং বাস চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৭ জুন) বিকেলে পাবনা জেলা মোটর মালিক গ্রুপের অফিস সচিব আমিনুল ইসলাম বাবলু বলেন, ‘পাবনা মোটর মালিক গ্রুপ, বাস মিনিবাস মালিক সমিতিসহ তিনটি সংগঠনের যৌথ ডাকে পাবনা-ঢাকা রুটে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। চলমান সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর মহাসড়ক দিয়েই পাবনার সব বাস ঢাকায় যাতায়াত করে। কিন্তু প্রায়শই শাহজাদপুরের বাস মালিক-শ্রমিকরা পাবনার বাস চালক ও শ্রমিকদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এর প্রতিবাদেই এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।’

পাবনার বাস মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, শাহজাদপুরের নবীন বরণ পরিবহন তাদের ইচ্ছেমতো চলাচল করে। তারা কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করে না। শ্রমিকদের মারধর করে। আমাদের এ কর্মসূচি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাস মালিক শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। আমরা স্থায়ী সমাধান দাবি করছি।

পাবনা মোটর মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খাদেমুল ইসলাম বাদশা জানিয়েছেন, শাহজাদপুরের বাস শ্রমিকরা বারবার পাবনার গাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। গত ২৫ জুন আমাদের একজন শ্রমিককে মারধর করা হয়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

সারাবাংলা/এসআর