Monday 12 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক তরিক্বত কনফারেন্সে লাখো আশেকে রাসূলের ঢল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০১:১৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম: আধ্যাত্মিকতা বিকাশে যুগান্তকারী কিংবদন্তি কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মোর্শেদ আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম (মা.জি.আ.) বলেছেন, প্রিয় রাসূল (দ.) আইয়্যামে জাহেলিয়ত যুগে এসে গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত মানব সম্প্রদায়কে যে দর্শন দিয়ে হেদায়তের পথে নিয়ে এসেছেন তা মহাকাল ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রিয় নবীজি (দ.) যে দর্শন-আদর্শ-নিয়ামত দিয়ে মানুষকে হেদায়ত করেছেন সেই নিয়ামতসমূহ কালের পরিক্রমায় এসে পৌঁছেছে খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে। তিনি তাওয়াজ্জুহ তথা অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে প্রিয় রাসূল (দ.) এর নূরে বাতেন দিয়ে অন্ধকার ক্বলবকে আলোকিত করে ক্বলবে সলিমে পরিণত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, গুনাহে লিপ্ত মানুষ তাওবায়ে নসুহার মাধ্যমে ফিরে আসে সিরাতুল মোস্তাকিমের দিকে, সুন্নাতে মোস্তফার শাশ্বত পথে। একজন সাধারণ মানুষ হযরত গাউছুল আজম (রা.) এর তরিক্বতে অন্তর্ভুক্ত হলে এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যা প্রতিদিনের জীবনযাপনে স্পষ্ট হয়ে উঠে। নফসানিয়ত তথা পশুত্বকে বর্জন করে অর্জন করে ইনসানিয়ত তথা মনুষ্যত্বের অমূল্য নিয়ামত। দরূদে মোস্তফা ও সুন্নাতে মোস্তফার অনুশীলনে পরিণত হয় আশেকে রাসূলে।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টায় চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক তরিক্বত কনফারেন্সে উপস্থিত লাখো মুসলমানের উদ্দেশ্যে প্রধান মেহমানের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও সংগঠনের মহাসচিব প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত তরিক্বত কনফারেন্সে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব হযরতুলহাজ্ব আল্লামা শাব্বির আহমদ মোমতাজী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ।

বক্তব্য দেন মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ রকিব উদ্দিন ও মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল।

মিলাদ-কিয়াম শেষে মাননীয় প্রধান মেহমান দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর