Monday 25 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

খুলনার ট্রিপল মার্ডারের রায় ঘোষণায় হাইকোর্ট বিব্রত


১২ জুলাই ২০১৮ ২১:৫৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

।। স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

ঢাকা: খুলনার মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমামসহ তিনজন হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্ট

বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করতে গিয়ে বিব্রতবোধ করেন। পরে মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন বলে জানিয়ছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

আদালত রায় দিতে কেন বিব্রতবোধ করেছেন সেটি তিনি জানেন না বলেও জানান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি আরও জানান, কয়েকদিন ধরে এ ‍মামলার শুনানি হয়েছে। আজ রায়ের জন্য দিন ঠিক করা ছিল। এর মধ্যে আদালত বিব্রতবোধ করে মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দেন। এখন নিয়ম অনুসারে মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি এ মামলার শুনানির জন্য ভিন্ন একটি বেঞ্চে পাঠিয়ে দেবেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৩ সালের ২৫ আগস্ট খুলনা মহানগরীর শামসুর রহমান রোডের নিজ বাসভবন থেকে রিকশাযোগে আদালতে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীদের গুলি ও বোমা হামলায় মঞ্জুরুল ইমাম নিহত হন। এতে মঞ্জুরুলের সহযাত্রী আইনজীবী বিজন বিহারী মণ্ডল ও রিকশাচালক সাইদুল ইসলাম আকন্দও নিহত হন।

ঘটনার পর মঞ্জুরুলের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে খুলনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। এ মামলায় ২০০৪ সালের ১১ মার্চ শুকুর গাজী, রিপন, গণেশ ও হাসান ইমামকে অভিযুক্ত করে খুলনা মহানগর পুলিশের ( কেএমপি) গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মো. শাহজাহান হাওলাদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শুকুর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। মামলায় ৪৯ জন সাক্ষীর মধ্যে আটজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল চার আসামিকেই খালাস দেন। এর মধ্যে ক্রসফায়ারে হাসান ইমাম নিহত হয়।

২০১১ সালের ১৭ এপ্রিল মঞ্জুরুল ইমাম হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক অংশের মামলায় শুকুর গাজীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার অপর দুই আসামি শেখ আবদুল রাব্বী ওরফে রিপন ও গণেশ ব্যানার্জিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য খুলনার আদালত থেকে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়। একইসঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে শুকুর গাজী। এই ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শেষে ১২ জূলাই রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিলো।

আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সারোয়ার আহমেদ।

সারাবাংলা/এজেডকে/একে