আগের ম্যাচেই নতুন করে ইনজুরিতে পড়েছিলেন তিনি। জানা গিয়েছিল, এই বছরে আর মাঠে নামা হবে না তার। সেই নেইমারই সবাইকে চমকে দিয়ে মাঠে নেমেছেন। তার গোল ও অ্যাসিস্টে স্পোর্টকে ৩-০ গোলে হারিয়ে মহামূল্যবান এক জয় পেয়েছে সান্তোস।
এই মৌসুমে রেলিগেশন অঞ্চলে ঘুরপাক খাচ্ছে সান্তোস। ধুঁকতে থাকা সান্তোসের জন্য মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছিল নেইমারের ইনজুরি।
ইনজুরি নিয়েই ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছিলেন নেইমার। ২৫ মিনিটেই স্বাগতিকদের আনন্দে ভাসিয়ে গোল করেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। ৩৬ মিনিয়ে লুকাস কালের আত্মঘাতী গোলে লিড দ্বিগুণ করে সান্তোস।
৬৭ মিনিটে নেইমারের দুর্দান্ত এক পাসে বল পেয়ে দলের তৃতীয় গোল করেন স্কিমিড। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সান্তোস। এই জয়ে ৩৬ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে সান্তোস।
নেইমারের এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর আবারও উঠেছে সেই পুরনো প্রশ্ন। ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে কি তাকে দলে ফেরাবেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি?