ঢাকা: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ অত্যাবশ্যক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসের (বেসিস) প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেল এটোভা টেকনোলজি আয়োজিত শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ২০০ প্রশিক্ষণার্থীর ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং, ফেয়ারওয়েল অ্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন সেরিমনি’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া করা হয়। রোববার (৩০ নভেম্বর) বেসিসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বেসিস প্রশাসক আরও বলেন, ‘আইটি খাত আজ দেশের অগ্রযাত্রায় অন্যতম প্রধান স্টেকহোল্ডার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই নিজের এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের শুধু এই খাতেই নয়, পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ডিইআইইডি প্রকল্পের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, বেসিস সহায়ক কমিটির সদস্য ও ফ্লোরা টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল ডিউক, বেসিস সহায়ক কমিটির সদস্য রওশন কামাল জেমস, বিশিষ্ট তরুণ উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠক রবিউল ইসলাম নয়ন ও এটোভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ তরুণদের কর্মক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। মানবসম্পদ উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’
ডিইআইইডি প্রকল্পের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘ডিইআইইডি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য তরুণদের শিল্প-প্রস্তুত দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এটোভার এই উদ্যোগ সেই লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নেবে।’
রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ তরুণদের বাস্তব কর্মপরিবেশে কাজের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করে।’
রওশন কামাল জেমস বলেন, ‘দক্ষ আইটি জনশক্তি তৈরির প্রতিটি উদ্যোগকে বেসিস স্বাগত জানায়। এটোভার কর্মযজ্ঞ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।’
এটোভা টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণ নয়, বরং তরুণদের শিল্প খাতের বাস্তব কাজে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে তোলা। সামনের দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত আকারে প্রশিক্ষণ ও ক্যারিয়ার সাপোর্ট কার্যক্রম চালানো হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার- দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন।