ঢাকা: রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনাত কাইয়ুম।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন এ আপিল শুনানি হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার নির্বাচন কমিশনার আপিল শুনানি করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনি এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশ সমর্থন তালিকায় গড়মিলের কারণে ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন হাসনাত কাইয়ুমের।
পরে ইসিতে আপিল করলে শুনানিতে তার আবেদন মঞ্জুর হয়। এখন ভোট করতে পারবেন এ স্বতন্ত্র প্রার্থী।
দুপুরে আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন ভবনে প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত কাইয়ুম অভিযোগ করে বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে বাইরে ফেলে দেওয়ার জন্য মাঠপর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।’
তিনি জানান, প্রাথমিক যাচাইয়ে ১০ জন ভোটারের মধ্যে ছয়জনকে পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের তদন্তে ভোটাররা ভয় পেয়ে তাকে চিনেন না বা সই দেননি বলে বক্তব্য দেন। পরে আপিল করে আজ দুইজন ভোটারকে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত করা হলে কমিশন তাদের বক্তব্য যাচাই করে আপিল মঞ্জুর করেন এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন।
নিবন্ধনবিহীন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতারা স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে বাদ দিতে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক আপিল ও আপিল মঞ্জুরের হার দেখলেই বোঝা যায় স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বড় দলগুলোর প্রভাবে কী মাত্রায় প্রভাবিত করছে।’
এই ধরনের কর্মকর্তাদের দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।