ঢাকা: আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রচারের আড়ালে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য বা এনআইডি সংগ্রহ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইসির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, নির্বাচনি প্রচারে অজুহাতে কিছু ব্যক্তি বা সংগঠন ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং এনআইডি সংগ্রহ করছে। এটি স্পষ্টত আইনের লঙ্ঘন।
আইনি বাধ্যবাধকতা: ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন, ২০১০’ অনুযায়ী, অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র বহন বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আচরণবিধি লঙ্ঘন: ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৪ নম্বর বিধি অনুযায়ী, কোনো দল বা প্রার্থী ভোটারদের কোনো প্রকার অনুদান, উপহার বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করতে পারবেন না। এনআইডি সংগ্রহের মাধ্যমে এ ধরনের কোনো প্রক্রিয়া চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভোটের প্রচারের আড়ালে এনআইডি সংগ্রহের অভিযোগ তুলে বিএনপির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দফতরে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। মূলত এই অভিযোগের পরপরই নির্বাচন কমিশন থেকে এমন কড়া বার্তা এলো।
নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে সকল নাগরিক ও সংগঠনকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।