ঢাকা: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে বিতর্কিত ও সম্প্রতি একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের এই দায়িত্ব দেওয়া হবে না।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানকে পাঠানো ইসির এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি বিএনপির পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি দাবিনামা পেশ করা হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে আজ এই জবাব দিল কমিশন।
প্যানেল থেকে নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ
ইসি সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। সেখানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতকৃত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল থেকে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নাম বাদ দিয়ে নতুন প্যানেল চূড়ান্ত করতে বলা হয়। আজ ২৬ জানুয়ারি সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে এই নির্দেশনা পুনরায় পাঠানো হয়েছে।
শর্তসাপেক্ষে নিয়োগের সুযোগ
তবে চিঠিতে ইসি একটি বিশেষ শর্তের কথা উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়, “যদি কোনো নির্বাচনি এলাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্য থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা পাওয়া না যায়, তবেই কেবল প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।”
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে সংসদ নির্বাচন এবং ‘জুলাই সনদ’ সংক্রান্ত গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কমিশন ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের মূলত ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হচ্ছে।
বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত ইসির
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৭
২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৭
সারাবাংলা/এনএল/এসআর