Thursday 29 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১১ | আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫০

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দুই যুগ আগে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে খুনের মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে আদালত আরও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এ রায় দেন।

রায়ে আসামি মনিরুল হককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর যাবজ্জীবন দণ্ডিতরা হলেন- ছাইফুল হক, বদরুল হক, আজিজুল হক, আবদুল রাজ্জাক, মো. রফিক, ছৈয়দুল হক, বাবুল হক ও মো. হাছান। দণ্ডিতদের সবার বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস ইউ এম নুরুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি সারাবাংলাকে জানিয়েছেন।

মামলার নথি পর্যালোচনায় জানা গেছে, ২০০০ সালের ৭ জুলাই আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা নুর আহম্মদ ও নুরুল আনোয়ারকে কিরিচ দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে আসামিরা। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক নুর আহম্মদকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আহত নুরুল আনোয়ারের বড় ভাই মো. নাসিম ১১ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন নাসিমের কেনা একটি জমিতে ঘাস পরিস্কার করছিলেন তার নিয়োগ করা কয়েকজন দিনমজুর। আসামিরা এতে বাধা দেওয়ার উদ্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জমির কাছে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। গুলির শব্দ শুনে ভাই নুরুল আনোয়ার ও প্রতিবেশি নুর আহম্মদ সেখানে ছুটে যান। তখন আসামিরা তাদের কুপিয়ে আহত করে।

ওই মামলায় মামলায় তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০০৪ সালের ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।

বিচার চলাকালীন সময়ে আলী আহম্মদ ও মো. গফুর নামে দুই আসামি মৃত্যুবরণ করায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাকি ৯ আসামির সবাই দণ্ডিত হয়েছেন। এদের মধ্যে রফিক, বাবুল হক ও আবদুর রাজ্জাক রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। রায়ের পর আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক ছয় আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর