যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলায় বিপর্যস্ত ইরান। এই হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিও। এমন অবস্থায় রীতিমত টালমাটাল ইরানের ক্রীড়াঙ্গন। স্থগিত হয়েছে বিভিন্ন লিগ, বিপাকে পড়েছেন বিদেশি খেলোয়াড়রাও।
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় ইরানে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সপরিবারে নিহত হয়েছেন খামেনি। দেশটির বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের খবর আসছে। এই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতা স্থগিত করেছে ইরান। দেশে ফেরার পথ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন সেখানে থাকা বিদেশি খেলোয়াড়রা।
স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম এএস জানিয়েছে, এবারের সংঘাতের সরাসরি পড়েছে কয়েকজন স্প্যানিয়ার্ডের ওপর। ইরানের ক্লাব পারসেপলিসের ফিটনেস কোচ পেপে লোসাদা ও গোলরক্ষক কোচ এমিলিও আলভারেস দেশটিতে আটকা পড়েছেন। যুদ্ধের কারণে আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ায় ইরান ছাড়তে পারছেন না তারা।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ভালেন্সিয়াসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবে খেলা মুনির এখন ইরানের ক্লাব এস্তেঘলাল এর হয়ে খেলছেন। সড়কপথে ইরান ছাড়তে তাকে সবধরনের সহায়তা করছে তার ক্লাব।
আরেক স্প্যানিশ ফুটবলার আন্তোনিও আদানকে ভাগ্যবান বলা যায়। খেলোয়াড়দের কয়েকদিন ছুটি দিয়েছিল তার ক্লাব এস্তেঘলাল। রিয়াল মাদ্রিদ, রিয়াল বেতিস ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সাবেক গোলরক্ষক আদান সংঘাত শুরু হওয়ার আগেই ইরান ছেড়েছেন।
শেষ পর্যন্ত ইরানের ক্রীড়াঙ্গনের পরিস্থিতি কোনদিকে যাবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।