ঢাকা: পাচারকৃত অর্থ দেশে ফেরত আনার কার্যক্রম আরও বেগবান করতে বিষয়টি ফাস্ট ট্র্যাকের আওতাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
সোমবার (২ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্সের কনসালট্যান্টের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ চিহ্নিতকরণ, আইনি প্রক্রিয়া জোরদার, তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গভর্নর পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে চলমান কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন। তিনি পুরো কার্যক্রমকে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’-এর আওতাভুক্ত করার ওপর জোর দেন, যাতে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুত দৃশ্যমান ফল পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সময়সীমা নির্ধারণ করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়। পাচারকৃত অর্থ সাধারণত বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকে বলে সেগুলো শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারে বহুপাক্ষিক সমন্বয় অপরিহার্য। এ প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট বিদেশি কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময় ও আইনি সহায়তা চুক্তি কার্যকর করার দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং অর্থ পাচার রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা গেলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।