ঢাকা: রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতে করা মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া, লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা নদীতে নদীতে পড়ে যাওয়া এক যাত্রীর খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (২০ মার্চ) নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সদরঘাট নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহাগ রানা বলেন, দুই লঞ্চের ধাক্কায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ায় মিরাজ নামের যাত্রীর খোঁজ এখনও মেলেনি। তার ছেলে সোহেল ফকিরের (২২) মরদেহ পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হয়েছে। আর সোহেলের স্ত্রী রুবা (২০) মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের বড় ভাই ও নিহত সোহেল ফকিরের চাচা সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৫ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা দুই লঞ্চের স্টাফ ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিলেন।
এর আগে, গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সদরঘাটে ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি পেছন থেকে যাত্রীদের ধাক্কা দেয়। এতে এক যাত্রী পিষ্ট হন এবং আরেকজন আহত হন। এছাড়া আরও এক যাত্রী আহত অবস্থায় নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। এই ঘটনায় নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের বড় ভাই সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।