Sunday 19 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৫২

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশের কৃষিখাতকে আধুনিকায়ন এবং রফতানিমুখী করার লক্ষ্যে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর-রশিদের অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও জলবায়ু অভিযোজনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। আলোচনার এক পর্যায়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি কৃষির ওপর ভিত্তি করে টিকে আছে। এ দেশের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং সারা বছরই এখানে বিচিত্র ফসলের ফলন হয়। তিনি আরও বলেন, নেদারল্যান্ডস চাষাবাদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রসর। তাই দুই দেশের কৃষিখাতের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের চরাঞ্চলে অর্গানিক শসা ও বেবি কর্ন চাষাবাদের মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, রপ্তানিমুখী যেকোনো বেসরকারি উদ্যোগকে বাংলাদেশ গুরুত্বের সাথে দেখছে। নেদারল্যান্ডসের কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাদেশের স্থানীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়, তবে বাংলাদেশ সরকার তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এবং স্বাগত জানাবে।

বাংলাদেশের কৃষিখাতে কাজ করার বিশেষ আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন, তার দেশ বাংলাদেশের কৃষিখাতের বেশ কিছু আধুনিকায়ন খাতে অংশীদার হতে আগ্রহী। তিনি বিশেষ করে উন্নত জাতের বীজ, কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনা, হর্টিকালচার এবং অ্যাকুয়াকালচারের উন্নয়নে নেদারল্যান্ডসের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তার কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া গ্রিন হাউস প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রটোকল সুবিধা নিশ্চিতে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নেদারল্যান্ডসের উন্নত প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের কৃষি সক্ষমতার সমন্বয় ঘটিয়ে কৃষি খাতে এক নতুন মাত্রা যুক্ত করা সম্ভব হবে। এই সহযোগিতামূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়াতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে মন্তব্য করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর