ঢাকা: যমুনা সেতু সংস্কার ও ডেক-সড়ক প্রশস্তকরণে একটি পূর্ত কাজের ঠিকাদার নিয়োগসহ ৬টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৬৪ কোটি ৫ লাখ টাকা।
এছাড়া বৈঠকে ‘চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর পরামর্শক সেবা (ডিজাইন ফেইজ) ব্যয় বাড়ানোর একটি ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুযায়ী, ব্যয় বাড়ছে ৯ কোটি ৮ লাখ টাকা। প্রকল্পটির পরামর্শক হিসেবে রয়েছে জার্মানীর প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারপোর্ট কনসালটিং পার্টনার্স জিএমবিএইচ।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে যমুনা সেতু সংস্কার ও ডেক-সড়ক প্রশস্তকরণে একটি পূর্ত কাজের ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজটি পেয়েছে যৌথভাবে ‘চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) লিমিটেড ও ‘চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন’ (সিআরবিসি)। এতে ব্যয় হবে ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ‘যমুনা নদী টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প-১ : নদীতীর সংরক্ষণ ও নদী শাসন (কম্পোনেন্ট-১)-এর একটি প্যাকেজের পূর্ত কাজ সম্পাদনে ঠিকাদার নিয়োগের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজটি পেয়েছে ‘এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড’। এতে ব্যয় হবে ২৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম অয়েল আমদানি এবং স্থানীয় বাজার থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পাওয়ার হাউজ জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি’ থেকে পাম অয়েল আমদানিতে ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ২৯ লাখ ৭ হাজার টাকা।
অন্যদিকে ২ হাজার মেট্রিক টর মসুর ডাল সরবরাহ করবে ‘ইজি সার্ভিস লিমিটেড’। এতে ব্যয় হবে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, এছাড়া বৈঠকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন রক ফসফেট (৭০ শতাংশ বিপিএল মিনিমাম) আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৮৭ কোটি ৩৬ লাখ ২৬ হাজার টাকা।