ঢাকা: ১৯৭৬ সালে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ গোটা জাতির চেতনাকে শাণিত করে। তার নেতৃত্বে ফারাক্কা লংমার্চ ভারতের সঙ্গে তৎকালীন সরকারের দর কষাকষিতে প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে বলে মন্তব্য করেছে ভয়েস অব কনসাস সিটিজেন-ভিসিসি।
শুক্রবার (১৫ মে) ‘১৬ মে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের ৫০তম বার্ষিকী’ উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান মিতা রহমান ও মো. সুমন মিয়া, নির্বাহী পরিচালক মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, পরিচালক জাহিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, মওলানা ভাসানী আজ বেঁচে নেই। কিন্তু নদীর বিপন্ন দশা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী এখন প্রায় পানিহীন অবস্থায় পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অবস্থা আরও শোচনীয়। ৫০ বছর আগেই স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর বিশ্ব বিবেককে পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাগ্রত করতে লংমার্চের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই দিন বাংলার সর্বস্তরের মানুষের বজ্রকন্ঠ ভারতের শাসকমহলেও কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল। যার রেশ উপমহাদেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পৌঁছে যায়।
তারা আরও বলেন, ১৯৭৬ সালের এই দিনে আয়োজিত লং মার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ফারাক্কা বাঁধ। কিন্তু পদ্মাসহ সব অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে সমস্যা আজো অমীমাংসিত থেকে গেছে। তিস্তা নিয়ে চুক্তির নামে দীর্ঘমেয়াদী লুকোচুরি খেলা এখনো চলছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ভারত তার একতরফা নীতির আওতায় গঙ্গা তথা পদ্মায় যে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করে সেই বাঁধ বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য আজ মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এখন সেই ফাঁদ ভারতের জন্যও মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
তারা ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের মহানায়ক মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান, সাংগঠনিক প্রধান জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়াসহ সকল সংগঠক ও অংশগ্রহনকারী জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।