ঢাকা: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে এ পর্যন্ত কোনো ধরনের অবৈধ অর্থ আদায় বা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন। তিনি বলেন, পশুর হাটে চাঁদাবাজির ঠাঁই নেই।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরের দিকে গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী পশুর হাট পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই দাবি করেন।
উক্ত হাটে গবাদিপশু রাখার খুঁটি প্রতি ১৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার যে গুঞ্জন উঠেছিল, সে প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, বিষয়টি জানার পর দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে এই অভিযোগের সপক্ষে কোনো সত্য প্রমাণ মেলেনি। হাটে আগত ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ হাসিলের অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়া হচ্ছে না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
পরিদর্শনকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিনও প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, পশুর হাটে চাঁদাবাজি বা হয়রানির সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য অথবা অভিযোগ যদি কারও কাছে থাকে, তবে তা যেন পুলিশকে জানানো হয়। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ডিএমপি প্রধান আরও উল্লেখ করেন, গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ ঢাকা উত্তরের আওতাধীন সবকটি অস্থায়ী পশুর হাটের সার্বিক পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির মধ্যে এখন পর্যন্ত চাঁদাবাজির কোনো নজির মেলেনি। এরপরও যদি কোথাও কোনো অনিয়ম ঘটে, তবে পুলিশসহ মাঠে থাকা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তা কঠোর হস্তে দমন করবে।
পরিদর্শনকালে তিনি হাটে আসা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খামারি, ব্যাপারী এবং সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন ও সার্বিক খোঁজখবর নেন।