রাজবাড়ী: জেলার কালুখালীতে জামায়াত কর্মী আসাদুল ইসলাম (২৫) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সামনে নিহত আসাদুল ইসলামের এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির হাসমত আলী হাওলাদার, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন, কালুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুর রব, রাজবাড়ী পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. হাফিজুর রহমান, মদাপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ফিরোজ আহমেদ, নিহত আসাদুলের চাচা আব্দুস সালাম, নিহত আসাদুলের বাবা শাহজাহান মন্ডল, মদাপুরের বাসিন্দা আব্দুল গফুর, মো. সাইফুল্লাহ সহ অন্যান্যরা বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আসাদুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আসাদুল নিখোঁজ হবার পর রাতে থানায় জিডি করতে গেলেও থানা থেকে জিডি নেওয়া হয়নি। পরের দিন সকালে পাটখেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করলেও অদৃশ্য কারণে আর কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি। পুলিশ মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার জন্য ও মামলা হালকা করার জন্য ৬৮ হাজার টাকা ধারের একটি মিথ্যা বিষয় মিডিয়াতে প্রচার করে। পুলিশ মিডিয়াতে প্রচার করেছে ধারের ৬৮ হাজার টাকা না পেয়ে আসাদুলকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আসাদুল কারও কাছ থেকে ধার করে কোনো টাকাই নেয়নি।
বক্তারা বলেন, আসাদুলকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তারা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মিজান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং আসাদুলের হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। মানববন্ধনে জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতারা, নিহত আসাদুল ইসলামের পরিবার-পরিজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকাবাসী অংশ নেন।